Tuesday, January 25, 2011


ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ

খুলনা মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ


ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে খুলনা মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আজ মঙ্গলবার রাত আটটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস (হল) ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে আজ সকালে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত সাতজন নেতা-কর্মী আহত হন। তাত্ক্ষণিকভাবে এর প্রতিবাদে একপক্ষ অধ্যক্ষের কক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রতিপক্ষের কয়েকজনকে বহিষ্কারের দাবি জানান। অন্যপক্ষের নেতা-কর্মীরাও অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে। এ সময় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
কলেজ ছাত্রলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিমাদ্রি শেখর প্রথম আলোকে বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হলেও কলেজ শাখার যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির মাহমুদ, আরাফাত মাহমুদ ও নাঈম-উল আলমের নেতৃত্বে একটি পক্ষ সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিতে বাধ্য করছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে ভাঙচুর, মাদকসেবন ও ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকরণে তাঁরা জড়িত উল্লেখ করে এঁদের বহিষ্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ সকাল ১০টার দিকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান। কিন্তু প্রতিপক্ষরা এতে বাধা দিলে সেখানে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে।
এদিকে ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির মাহমুদ বলেন, চাঁদাবাজি ও অছাত্রসুলভ আচরণের দায়ে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের সভাপতি চয়ন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক আসিব ইকবাল গতকাল আবারও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
দুই পক্ষই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে পৃথক স্মারকলিপি দেয়। জরুরি পরিস্থিতিতে ডাকা একামেডিক কাউন্সিলের সভা শেষে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী হামিদ আসগার অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধের ঘোষণা দেন।
পরে কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দুই পক্ষই ক্যাম্পাসে মিছিল বের করে।
উল্লেখ্য, ১১ জানুয়ারি কলেজ একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পঞ্চম বর্ষের ছাত্র চয়ন বিশ্বাস ও আসিফ ইকবালকে কলেজ ও ছাত্রাবাস থেকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়।

নৌকায় ভোট দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিন: এরশাদ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে হলে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। তাই আপনারা নৌকায় ভোট দিন।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের মহাজোটের প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সমর্থনে আয়োজিত এক জনসভায় এরশাদ এ কথা বলেন। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে আজ মঙ্গলবার বিকেলে শহরের আবদুল কুদ্দুস মাখন মুক্তমঞ্চে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।
সভায় বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, যুগ্ম মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, জাসদের নেতা শিরিন আক্তার, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদ হাসান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মঈনউদ্দিন, মহাজোটের প্রার্থী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী প্রমুখ।
এরশাদ বলেন, ‘আমি আজ এখানে এসেছি নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য। ব্রাহ্মণবাড়িয়া একসময় মহকুমা ছিল। আমি জেলা করেছি। মহাজোটের প্রার্থী মোকতাদির চৌধুরী এই এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। কাজেই নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের সম্মান রাখুন।’
এরশাদ বলেন, ‘দুর্নীতি ও দুঃশাসনে দেশ জর্জরিত ছিল। আমরা এ (দুর্নীতি) থেকে দেশকে মুক্ত করেছি। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করছি। কৃষককে বাঁচাতে সারে ভর্তুকি দিচ্ছি। কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। দেশে আজ অনাহার-মঙ্গা নেই। আমরা আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ জাতি।’
এরশাদ আরও বলেন, ‘সংবিধানে ইসলামও থাকবে, বিসমিল্লাহও থাকবে। বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা এগিয়ে চলছি উন্নয়নের দিকে। আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব সমস্যার সমাধান হবে। আপনার এখানে নৌকাকে বিজয়ী করুন। কথা দিচ্ছি, সব সমস্যার সমাধান করব।’
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির সাংসদেরা সংসদে যায় না। তাদের প্রার্থী নির্বাচিত হলে তিনিও সংসদে যাবে না। কাজেই এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই আপনারা নৌকায় ভোট দেবেন। আর এই এলাকার আওয়ামী লীগের প্রার্থী রবিউল মোকতাদির মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্রহাতে যুদ্ধ করে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি এলাকার উন্নয়নের জন্য সদা চেষ্টা করেন। কাজেই তিনি সাংসদ নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষেরই বিজয় হবে।’
এই আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেয়েছিলেন রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলেও সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইমপ্যাক্ট ইনডেক্সের বিচারে
সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডস
৭০-এর দশকের শুরুতে ওয়ানডে ক্রিকেটের পথচলা শুরু হওয়ার পর থেকে অনেকেই ক্রিকেট বিশ্বকে মাতিয়েছেন নতুন উন্মাদনায়। অসাধারণ সব পারফরমেন্স দিয়ে জয় করে নিয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের মন। তাঁদের মধ্য থেকে সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার বেছে নিতে বললে হয়তো অনেকেই কিছুটা বিপদে পড়ে যেতে পারেন। কিন্তু যদি পারফরমেন্স বিচারের একটা মানদণ্ড ঠিক করে কাজটা করা হয়? তাহলে অনেকটাই সহজ হয়ে যায় সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার নির্বাচনের কাজটা। এ ধরনের একটা মানদণ্ড তৈরির কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে ভারতের জয়দীপ বর্মা ও যতীন থাকারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। পারফরমেন্স বিচারের জন্য ওই দলের সদস্যরা বানিয়েছেন ‘ইমপ্যাক্ট ইনডেক্স’ নামের নতুন একটি মানদণ্ড। আর এই মানদণ্ডের বিচারে সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটারের স্থানটি জয় করে নিয়েছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ভিভিয়ান রিচার্ডস।
সাধারণত, গড় একটা পারফরমেন্স হিসাব করেই র্যাঙ্কিং বা সেরা নির্বাচনের কাজটি করা হয়। কিন্তু নতুন এই মানদণ্ডের মূল বিবেচ্য বিষয় হলো, কোনো ম্যাচের একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কে কী রকম পারফরমেন্স দেখিয়েছেন। যেমন কঠিন একটি পরিস্থিতিতে তাঁর অবদান। ব্যাট হাতে বা বল হাতে নির্দিষ্ট সময়ে তাঁর কোনো পারফরম্যান্স ম্যাচে কি ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করেছে। তিনি কতবার স্বীয় পারফরমেন্স দিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন ইত্যাদি। দলের ভালো অবস্থার মধ্যে একটা সেঞ্চুরি করার চেয়ে দলের ভয়াবহ সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে ভালো একটা ইনিংস খেললে অনেক বেশি পয়েন্ট যোগ হবে ওই ক্রিকেটারের খাতায়। এভাবেই তৈরি করা হয়েছে সর্বকালের সেরা ২০ ক্রিকেটারের তালিকা।
তালিকায় ভিভ রিচার্ডসের পর প্রথম চারটি স্থানে আছেন ইমরান খান, রিচার্ড হ্যাডলি, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও ইয়ান বোথাম। এখনো অবসরে যাননি এমন খেলোয়াড়ের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন জ্যাক ক্যালিস। দক্ষিণ আফ্রিকান এই অলরাউন্ডার আছেন অষ্টম স্থানে। ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রায় সব কটি ব্যাটিং রেকর্ডের মালিক শচীন টেন্ডুলকারের অবস্থান শুনলে কেউ কেউ হয়তো চমকে যেতে পারেন। ভারতের এই ব্যাটিং আইকনের জায়গা হয়েছে ১৮ নম্বরে। ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি আছেন ১৩ নম্বরে। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব আছেন জ্যাক ক্যালিসের পরেই, ৯ নম্বর অবস্থানে।
নতুন এই তালিকাটি আগামীকালই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে ‘ইমপ্যাক্ট ইনডেক্স’।— টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইমপ্যাক্ট ইনডেক্সের বিচারে
সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডস
৭০-এর দশকের শুরুতে ওয়ানডে ক্রিকেটের পথচলা শুরু হওয়ার পর থেকে অনেকেই ক্রিকেট বিশ্বকে মাতিয়েছেন নতুন উন্মাদনায়। অসাধারণ সব পারফরমেন্স দিয়ে জয় করে নিয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের মন। তাঁদের মধ্য থেকে সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার বেছে নিতে বললে হয়তো অনেকেই কিছুটা বিপদে পড়ে যেতে পারেন। কিন্তু যদি পারফরমেন্স বিচারের একটা মানদণ্ড ঠিক করে কাজটা করা হয়? তাহলে অনেকটাই সহজ হয়ে যায় সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার নির্বাচনের কাজটা। এ ধরনের একটা মানদণ্ড তৈরির কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে ভারতের জয়দীপ বর্মা ও যতীন থাকারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। পারফরমেন্স বিচারের জন্য ওই দলের সদস্যরা বানিয়েছেন ‘ইমপ্যাক্ট ইনডেক্স’ নামের নতুন একটি মানদণ্ড। আর এই মানদণ্ডের বিচারে সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটারের স্থানটি জয় করে নিয়েছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ভিভিয়ান রিচার্ডস।
সাধারণত, গড় একটা পারফরমেন্স হিসাব করেই র্যাঙ্কিং বা সেরা নির্বাচনের কাজটি করা হয়। কিন্তু নতুন এই মানদণ্ডের মূল বিবেচ্য বিষয় হলো, কোনো ম্যাচের একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কে কী রকম পারফরমেন্স দেখিয়েছেন। যেমন কঠিন একটি পরিস্থিতিতে তাঁর অবদান। ব্যাট হাতে বা বল হাতে নির্দিষ্ট সময়ে তাঁর কোনো পারফরম্যান্স ম্যাচে কি ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করেছে। তিনি কতবার স্বীয় পারফরমেন্স দিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন ইত্যাদি। দলের ভালো অবস্থার মধ্যে একটা সেঞ্চুরি করার চেয়ে দলের ভয়াবহ সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে ভালো একটা ইনিংস খেললে অনেক বেশি পয়েন্ট যোগ হবে ওই ক্রিকেটারের খাতায়। এভাবেই তৈরি করা হয়েছে সর্বকালের সেরা ২০ ক্রিকেটারের তালিকা।
তালিকায় ভিভ রিচার্ডসের পর প্রথম চারটি স্থানে আছেন ইমরান খান, রিচার্ড হ্যাডলি, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও ইয়ান বোথাম। এখনো অবসরে যাননি এমন খেলোয়াড়ের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন জ্যাক ক্যালিস। দক্ষিণ আফ্রিকান এই অলরাউন্ডার আছেন অষ্টম স্থানে। ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রায় সব কটি ব্যাটিং রেকর্ডের মালিক শচীন টেন্ডুলকারের অবস্থান শুনলে কেউ কেউ হয়তো চমকে যেতে পারেন। ভারতের এই ব্যাটিং আইকনের জায়গা হয়েছে ১৮ নম্বরে। ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি আছেন ১৩ নম্বরে। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব আছেন জ্যাক ক্যালিসের পরেই, ৯ নম্বর অবস্থানে।
নতুন এই তালিকাটি আগামীকালই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে ‘ইমপ্যাক্ট ইনডেক্স’।— টাইমস অব ইন্ডিয়া
রিয়াদে ভবন ধসে সাতজন নিহত, বাংলাদেশি নেই
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে প্রিন্সেস নুরা বিনতে আবদুল রহমান ইউনিভার্সিটির নির্মাণাধীন ভবন ধসে সাতজন শ্রমিক নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকালে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের ৪০০ জনেরও বেশি শ্রমিক কাজ করছিলেন। তবে হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশি কোনো শ্রমিক নেই বলে জানা গেছে। খবর ইউএনবি ও আরব নিউজ ডট কমের।
রিয়াদে বাংলাদেশের লেবার কাউন্সেলর হারুন-অর-রশিদ সন্ধ্যায় বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে টেলিফোনে জানান, ভবন ধসের ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি নিহত হননি। হতাহত ব্যক্তিরা ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।
সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে তিনজনের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র মুহাম্মদ আল হুবেইলের বরাত দিয়ে আরব নিউজ ডট কম জানায়, ভবন নির্মাণকাজে শ্রমিকদের ব্যবহারের জন্য নির্মিত রেলিং ধসে তিনজন নিহত ও ১১ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি জানান, উদ্ধার অভিযানে বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকটি ইউনিট ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। আহত ব্যক্তিদের হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Current News

অষ্টম অধিবেশনে যোগ না দিলে সদস্যপদ হারাবেন খালেদা
জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশন কাল মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় শুরু হচ্ছে। নবম জাতীয় সংসদের অষ্টম এই অধিবেশনও শুরু হচ্ছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির অনুপস্থিতিতে। তবে ৪৪ কার্যদিবসের এ অধিবেশনে যোগ না দিলে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াসহ চারদলীয় জোটের অধিকাংশ সাংসদ সদস্যপদ হারাবেন।
আজ সোমবার বিকেলে সংসদের কার্যোপদেষ্টা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ৪৪ কার্যদিবসের এই অধিবেশন চলবে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত। কার্যোপদেষ্টা কমিটির সভাপতি স্পিকার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ আবদুস শহীদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, তোফায়েল আহমেদ, ফজলে রাব্বী মিয়া ও রহমত আলী অংশ নেন। তবে কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার সভায় যোগ দেননি। এর মধ্য দিয়ে ১৫ বছর ধরে বিরোধীদলীয় নেতার এ কমিটির সভায় যোগ না দেওয়ার ধারা বজায় রইল।
সূত্র জানায়, বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া টানা ৫০ দিন সংসদে অনুপস্থিত রয়েছেন। এই অধিবেশন ৪০ কার্যদিবস পার হলে এবং তিনি এর মধ্যে অধিবেশনে যোগ না দিলে তাঁর সদস্যপদ শূন্য হবে। গত বছরের ৪ এপ্রিল তিনি সর্বশেষ সংসদে যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় একই রকম টানা অনুপস্থিতি রয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের অধিকাংশ সাংসদের। তবে টানা অনুপস্থিতির দিক থেকে (৫৭ দিন) প্রথমে রয়েছেন বিএনপির বরকতউল্লা ভুলু। সংবিধানের ৬৭(খ) অনুচ্ছেদ অনুসারে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কোনো সদস্য টানা ৯০ দিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ শূন্য হবে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক আজ বলেন, বিরোধী দল অধিবেশনে যোগ দিচ্ছে না। সংসদে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সংসদের চিফ হুইপ আবদুস শহীদ প্রথম আলোকে বলেন, সংসদের এই অধিবেশন ৪৪ কার্যদিবস চলবে। বিরোধী দলের সদস্যদের টানা গড় অনুপস্থিতি ৪৮ দিন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সদস্যপদ রক্ষার জন্য তাঁরা এ অধিবেশনে যোগ দেবেন।
সংসদের রেওয়াজ অনুসারে বছরের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান সংসদে ভাষণ দেবেন। এরপর চিফ হুইপ ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব আনবেন। এ প্রস্তাবের ওপর ৪৪ ঘণ্টা সাধারণ আলোচনা শেষে ধন্যবাদ প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হবে।
কার্যোপদেষ্টা কমিটির সভায় জানানো হয়, সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর পর এক সপ্তাহের জন্য মুলতবি করা হবে। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি অধিবেশন আবার শুরু হবে। প্রতিদিন অধিবেশন শুরু হবে বিকেল সাড়ে চারটায়, চলবে রাত নয়টা পর্যন্ত।
জানা গেছে, সভায় আসন্ন বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বিষয়টি স্পিকারকে নজরে রাখার পরামর্শ দেন। সভায় উপস্থিত একজন সদস্য বিশ্বকাপ খেলার টিকিটের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করেন।

Monday, January 24, 2011

Cricket

দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ অধরাই থাকল ধোনিদের
দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জয় অধরাই থাকল ধোনিদের। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে জিতলেও সিরিজ জয় করা হয়নি। তাই সেঞ্চুরিয়ানে আজ জিতলে সিরিজের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসও ধরা দিত ধোনিদের হাতে। কারণ এর আগে স্মিথ-ক্যালিসদের দেশে ভারত কোনো ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি। কিন্তু ধোনিরা পারলেন না। অপেক্ষা পরবর্তী কোনো সিরিজ পর্যন্ত।
আজ মেঘলা আকাশ দেখে টস জিতে ফিল্ডিংই নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। দলীয় ১৬ রানেই প্রোটিয়া অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথকে ফিরিয়ে দিয়ে ভারতীয় বোলাররা অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সম্মানই জানিয়েছিলেন। কিন্তু হাশিম আমলার অনবদ্য সেঞ্চুরি শেষ পর্যন্ত ভারতের সব স্বস্তি-আনন্দকে ছাপিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পৌঁছে দেয় চ্যলেঞ্জিং এক সংগ্রহে। ৪২তম ওভারে বৃষ্টি নামলে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস থেকে চার ওভার কমিয়ে দেন ম্যাচ রেফারি। কিন্তু ততক্ষণে আমলা ও ফনউইকের কল্যাণে দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাড় করায়। বৃষ্টি শেষে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে বেশ কয়েকটি উইকেট হারালেও ইনিংস শেষে স্পিংবকদের সংগ্রহ দাড়ায় ২৫০/৯। স্কোরটা সমীহজাগানিয়াই। অন্তত, সাম্প্রতিককালে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের ফর্মহীনতা ৪৬ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার ২৫০ রানকে একটু কঠিনই করে তুলেছে।
আমলা দৃপ্ত হাতে এক দিক ধরে রেখে করেছেন ১১৬ রান। ফনউইক ৫৬ রান করে তাঁকে দিয়েছেন সঙ্গ। এর পাশাপাশি জেপি ডুমিনির ৩৫ দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহে রেখেছে বড় ব্যবধান।
ভারতের পক্ষে মুনাফ প্যাটেল, জহির খান ও যুবরাজ সিং নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করেছেন সাত উইকেট।
২৫১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। প্রথম ১২ ওভারেই সাজঘরে ফেরেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, মহেদ্র সিং ধোনি, পার্থিব প্যাটেল, যুবরাজ সিং। দলের রান তখন মাত্র ৬০। এর পর ৬০ থেকে ১১৯ রানে যেতে ভারত হারায় আরও দুই উইকেট। এর পর জহির খানকে নিয়ে হাল ধরেন ইউসুফ পাঠান। ৮টি চার ও ৮টি ছয়ে ৭০ বলে ১০৫ রানে ইউসুফকে সাজঘরে পাঠান মরনে মরকেল। ভারতের রান নয় ইউকেটে ২১৯। এই জুটিতে জহিরের অবদান ২৪। এরপর ২১৯ থেকে ২৩৪ রানে যেতেই সব ইউকেট হারায় ভারত। মরনে মরকেল নেন ৪টি ইউকেট। ভারতকে হারিয়ে ৩-২ এ সিরিজ জিতে দক্ষিণ আফ্রিকা।
সেঞ্চুরির জন্য ম্যাচ সেরা হন হাশিম আমলা। সিরিজ সেরা হন মরনে মরকেল। রয়টার্স ও ওয়েবসাইট।

Sports

অস্ট্রেলিয়ার জয় ৪ উইকেটে
দিনটা যে অস্ট্রেলিয়ার, তা সকালেই জানান দিয়েছিলেন ব্রেট লি। ২৭ রানে তিনজন ইংলিশ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে ম্যাচটি এনে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার হাতের মুঠোয়। কোনোমতে, জোনাথন ট্রটের ইনিংসের ওপর ভর করে ইংল্যান্ড দল নিজেদের সংগ্রহকে নিয়ে যান ২০০ রানের ওপর। তবে সেই রানই ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার জন্য কঠিন মনে হচ্ছিল। দলের সংগ্রহ ১০০ না পেরোতেই পাঁচজন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে খুব সম্ভবত ম্যাচটির আশা ছেড়েই দিয়েছিল তারা। তবে, অসিদের চিরন্তন ‘নেভার সে ডাই’ মনোভাবটি মাঝের কয়েক দিন মুখ লুকিয়ে থাকার পর, আবার যে ফিরে আসছে, তারই একটা বাস্তব নমুনা দেখালেন ডেভিড হাসি। স্মিথ ও হেস্টিংসকে সঙ্গী করে অস্ট্রেলিয়াকে শেষ পর্যন্ত তিনি নিয়ে গিয়েছেন জয়ের বন্দরে। অ্যাশেজ সিরিজে হতাশার পর ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের পথে অনেক দূরই এগিয়ে গিয়েছে তারা। সিডনিতে আজকের ম্যাচে ৪ উইকেটের ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে তারা সিরিজে এগিয়ে রয়েছে ৩-০ ব্যবধানে। এই মুহূর্তে সিরিজ জয়কে খুব কাছে থেকেই দেখতে পাচ্ছে তারা।
সিডনিতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংই বেছে নিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শুরুটা ছিল খুবই বাজে। দলীয় এক রানেই ব্রেট লির বলে প্রিয়র এলবির ফাঁদে পড়েন। এরপর অধিনায়ক এন্ড্রু স্ট্রাউস জোনাথন ট্রটকে সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এক ভুল বোঝাবুঝিতে দুঃখজনকভাবে ২৩ রানে শেষ হয় স্ট্রাউসের সম্ভাবনাময় ইনিংস। এরপর ইয়ান বেলও সঙ্গী হন প্রিয়র ও স্ট্রাউসের। দলের রান তখন ৬১। এরপর মরগান ও ট্রটের মধ্যে গড়ে ওঠে ৫৭ রানের জুটি। ট্রট শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৮৪ রানে। মরগানের সংগ্রহ ছিল ৩০। অস্ট্রেলীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ইংলিশদের রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ার মুখে শেষদিকে হাল ধরেন রাইট ও ওয়াকস। রাইটের ৩২ ও ওয়াকসের ১২ রানে কোনোমতে ২০০ রানের কোটা পার হয় ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ব্রেট লি আজ সিডনিতে দীর্ঘদিন পড়ে জ্বলে উঠে দলে নিজের অন্তর্ভুক্তির যথার্থতা প্রমাণ করেন ভালোভাবেই। লি’কে যোগ্য সঙ্গ দেন ডোহার্টি। ৩৭ রানের বিনিময়ে তাঁর সংগ্রহ ছিল ২ উইকেট। এ ছাড়া হেস্টিংস, ওয়াটসন ও ডেভিড হাসি প্রত্যেকেই নেন ১টি করে উইকেট।
জবাবে অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ওয়াটসন, মার্শ ও মাইকেল ক্লার্ককে হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়। দলীয় ৯২ রানে ক্যামেরন হোয়াইট আউট হলে ইংল্যান্ডের জয়ের আশা দেখা দেয়। ১০০ রানে ব্র্যাড হাডিন কলিংউডের বলে আউট হলে ২১৪ রানও অস্ট্রেলিয়ার জন্য দূরের কল্পনা মনে হচ্ছিল। তবে ব্যাট হাতে শেষ চমকটি দেখান ডেভিড হাসি। তাঁর লড়াকু ৬৮ রান ধীরে ধীরে অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে আসে জয়ের খুব কাছে। ট্রেমলেট ও কলিংউডের জোড়া উইকেট আশা জাগালেও নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতার খেসারত দিতে হয় ইংল্যান্ডকে ম্যাচটিতে ৪ উইকেটে হেরে। রয়টার্স।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ইংল্যান্ড ২১৪ (৪৮ ওভার)
ট্রট ৮৪*
ব্রেট লি ৩/২৭
অস্ট্রেলিয়া ২১৫/৬ (৪৬ ওভার)
ডেভিড হাসি ৬৮
(অস্ট্রেলিয়া ৪ উইকেটে জয়ী)
মঙ্গলবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হবে: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আগামী মঙ্গলবার থেকে আবারও দুই স্টক এক্সচেঞ্জে যথারীতি লেনদেন শুরু হবে। সূচকের সার্কিট ব্রেকার থাকছে না বলে জানান তিনি। পুঁজিবাজার থেকে খুব বেশি টাকা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন মুহিত।
আজ রোববার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন।
এর আগে আজ সকাল থেকে অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে বাজার বন্ধ রাখা হবে না। বাজারে স্থিতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে বাজারকে নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া দরকার। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পরামর্শ কমিটি এখন থেকে ঘন ঘন বৈঠকে বসবে। এ ছাড়া বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার কথাও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার এবং ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

News

হলে ছাত্র ওঠা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১
ছাত্র একজন। কিন্তু ছাত্রলীগের দুই পক্ষই তাঁকে হলে উঠিয়ে বাহাদুরি নিতে চায়। পরিণামে বাধল সংঘর্ষ। এভাবেই হলকেন্দ্রিক অসুস্থ ছাত্ররাজনীতির চেহারাটি খুব কাছ থেকে দেখেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নবাগত শিক্ষার্থী।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলে। এতে আহতও হয়েছেন একজন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রথম বিভাগের এক নবীন ছাত্র ভর্তি-প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে জিয়া হলে গেলে তাঁকে হলে ওঠাতে চান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিফাত হোসেনের পক্ষের কর্মী হাসান (মার্কেটিং বিভাগ তৃতীয় সেমিস্টার)। অন্যদিকে বিভাগের ছোট ভাই—এ দাবিতে ছাত্রটিকে তাঁর দিকে টানতে চেষ্টা করেন সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমানের পক্ষের কর্মী রাষ্ট্রবিজ্ঞান তৃতীয় সেমিস্টারের ছাত্র বুরহান।
এ নিয়ে বিরোধের ফলে বুরহান ও তাঁর বন্ধুরা মিলে কলাভবনের সামনে হাসানকে মারধর করেন। আহত হাসানকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া হয়। পরে রিফাতের কর্মীরা রড, হকিস্টিক ও ক্রিকেট স্টাম্প নিয়ে সাইফুরের পক্ষের কর্মীদের ধাওয়া দেয়।
এ বিষয়ে হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিফাত হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছাত্রদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহকারী প্রক্টর আমজাদ আলী বলেন, ‘টিএসসিতে লাইনে দাঁড়ানো এবং হলে ছাত্র ওঠানো—এই দুই কারণে ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’